Showing posts with label F.I. Tuhin. Show all posts
Showing posts with label F.I. Tuhin. Show all posts

Thursday, March 31, 2016

গোলগাল চেহারা। শারীরিক গঠন নায়িকাদের মতই। সুন্দরী।

গোলগাল চেহারা। শারীরিক গঠন নায়িকাদের মতই। সুন্দরী। বয়স বড়জোড় ১৮ বা ১৯ হবে। লেখা পড়া তেমন করে নি। এক মেয়ের মা। পাশের থানা থেকে তাকে বিয়ে করিয়ে এনেছে আমার গ্রামেরই পাশের একটি বাড়িতে। একটা মটর সাইকেল,ব্যবসার জন্য ৫০ হাজার নগদ টাকা,ঘর সাঝিয়ে দেয়া এই হচ্ছে মেয়েটির সাথে আনা যৌতুক।মেয়েটির বাবা কিছু জমি বিক্রি করে মেয়ের বিয়ে এবং বিয়ে পরবর্তি এই খরচ গুলো মিটিয়েছেন। গতকাল কোন এক কারনে তাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। আমি মেয়েটিকে চিনিনা। সেও আমাকে চিনেনা। গ্রামের মেয়ে তো তাই অযথা সামনেও আসেনা। আমার খালা আম্মার মাধ্যমে জানলাম তার গল্পটি। চিন্তা করি,এত সুন্দর একটি মেয়ের বিয়েতেও যদি এই যৌতুক নামক শব্দটা এসে যায় তবে এই দেশ কোথায় যাচ্ছে? এই সময়ও কেনো যৌতুক দিবে বা নিবে? লজ্জা শরম কি নেই তাদের?কবে মুক্তি পাবে এই দেশ?

খোঁজ,নিয়ে দেখলাম আমার এলাকায় সর্বশেষ ১০ বিয়ের মধ্যে ৯টি বিয়েই হয়েছে যৌতুক দেয়া-নেয়া করে। আমরা বিন্দু পরিমান এগোতে পারিনি।
আমি যৌতুক নিয়ে কথা বলেছি কয়েক জনের সাথে। তারা এটা নিয়মের মতই মানে। ভাই বিয়ে করবে যৌতুক নিয়ে,আর বোনকে বিয়ে দিবে যৌতুক দিয়ে। বাহ কি সুন্দর সিস্টেম।

Wednesday, March 30, 2016

একটি অসাধারণ প্রেমের প্রস্তাব..... I Love you ......

একটি ছেলে একটি
মেয়েকে খুব
ভালবাসে কিন্তু
কিছুতে বলতে পারছে
না। তারা ২ জন খুব
ভাল বন্ধু।
একদিন রাতে ছেলেটা
ভাবল যে কি
করে প্রস্তাব দেয়া
যায়। অনেক
ভাবার পর হঠাত্ তার
মাথাতে একটা
বুদ্ধি আসল। পরের
দিন ছেলেটা ওই
মেয়েটার সাথে দেখা
করল এবং
বললঃ
ছেলেঃ তুমি
কিছুক্ষণের জন্য
চোখটা বন্ধ করবে?
মেয়েঃ হঠাত্ করে চোখ
বন্ধ করবো
কেনো!
ছেলেঃ দরকার আছে।
চোখ বন্ধ
করলে বুঝতে পারবে।
মেয়েঃ ঠিক আছে।
চোখ বন্ধ করছি!
ছেলেঃ তুমি যে চোখ
বন্ধ করে
রেখেছ এ অবস্থাতে
তোমার কেমন
লাগছে?
মেয়েঃ খুব খারাপ!
চারদিকে শুধু
অন্ধকার! মনে হচ্ছে
যেন আমি খুব
একাকী!
ছেলে মেয়েটির কানের
কাছে
ফিসফিস করে বললঃ
তুমি ছাড়া
আমার জীবন এমনই
অন্ধকার!
....... I Love you ........

পোস্টটি কেমন লাগল
জানাতে ভুলবেন না ।

Tuesday, February 16, 2016

একটা মেয়ে একটা ছেলের সব কিছু পাল্টে দিতে পারে


ছেলে > এই তুমি আজ আমার সাতে দেখা করতে কেন এলে না। 
মেয়ে > আমার বাবা আজ বাড়ি ছিলো তাই বাইর হতে পারিনি।  
ছেলে > কিন্তু ফোন করলাম বন্দ কেনো তোমার ফোন। 
মেয়ে > জানি না তো কোই ফোন তো খোলাই ছিলো যান এই সব ছাড়ো কি অন্চ আজ আমার জন্য। 
ছেলে > না আজ কিছু আনতে পারিনি টাকা ছিলো না আর আমার বাবা এই মাসে আমাকে টাকা পাটাতে পারবে না আমার মা খুব অসস্ত তাই ডাক্তার কাছে নিয়ে গেছে তো তাই , এই মাসে আমি আমার হোস্টেল বাড়া দিতে পারবো না। আগামী মাসে কিনে দেবো তোমায় একটা ফোন। 
মেয়ে > না লাগবে না প্রেম করার আগে চিন্তা করোনি তোমার পকেটে কি টাকা আছে কি না তুমি আমার খরচ চালিয়ে নিতে পারবা না তো আমার সাতে প্রেম করার কি দরকার ছিলো তুমি তোমার মতো কাওকে খোজে নিতা শুদু আমার সময় নষ্ট করলা তুমি তোমার মতো থাকো আমি যাই। 
ছেলে > জান আমি তোমাকে অনেক ভালো বাসা তোমার জন্য আমি সব করতে পারি এই মাসেই আমি কাজ খোজে নেবো তবো ও আমায় একা করে যেওনা আমি তোমাকে ছাড়া কিছু ভাবতে পারিনা। 
মেয়ে > আমাকে আর ফোন করবা না আমার আরো কতো জন আছে। 
ছেলে > মানে 
মেয়ে > আমি তুমি ছাড়া ও আরো দুই জনের সাতে প্রেম করি , যে আমার খরচ চালাতে পারবে আমি তার সাতেই আছি। 
ছেলে > দেখো যান দুষ্টামি করো না আমি তোমাকে অনেক ভালো বাসী। 
মেয়ে > তোমার ভালো বাসা তোমার কাছেই থাক আমি গেলাম। .....
..... এর পর ৫ ৬ বছর চলে গেলো ছেলেটা এখনো মেয়ে টাকে খোজে পেরে। হটাত এক দিন দেখা হলো ছেলেটা মেয়েটাকে দেখে খুব খুসি হয়ে গেলো মেয়েটা কাছে আসতেই। 
ছেলে > কি কেমন অনেক দিন পর কতো জায়গায় তোমায় খোজেছি পাইনাই। 
মেয়ে > ভালো কি বেপার তুমি তো অনেক পাল্টে গেছো , কি করো এখন তুমি , আমার না বেয়ে হয়ে গেছে। 
ছেলে > ও ভালো সুখে আছ তো না। 
মেয়ে > হা অনেক আমার সামি একটা কোম্পানিতে প্রজেক্ট মেনেজার ৬ ৭ লাক টাকা বেতন পায় , আমার সামি আছে এইখানিই দাড়াও তোমার সাতে পরিচয় করিয়ে দেই।
মেয়েটার সামি > আরে চার আপনি এইখানে কি গোরতে বেরহলেন না কি। 
ছেলে > তুমি এখানে কেনো তোমার না আজ তোমার বয়ের সাতে গোরতে যাওয়ার কথা
মেয়েটার সামি > জি এই ও আমার ওয়াইফ , আপনারা কি আগে থেকে পরিচিতো না কি। 
ছেলে > না মানে ওকে ভালো থাক আমি যাই আমার কাজ আছে। 
মেয়েটার সামি > আরে বস বসেন যাবেন আরকি।
মেয়েটার সামি > মেয়েটাকে বলছে > এই জানো তোমাকে আমার বোসের কথা বলছি যে অনি সেই অনি যাকে ভালো বাসত টাকার জন্য অনকে ছেড়ে চলে গেছে।
ছেলে > আরে ভাই কাকে কি বলছ তোমার ওয়াইফ এক সময় আমার প্রেমিকা যে আমাকে টাকার জন্য ভালো বাসত আর আমি পাগল এখনো তাকে ভুলতে পারিনি।আমি মনে করলাম অনেক দিন পর দেখা ভালো খোজ খবর নিবো কিন্তু সেই টাকা আমার সামি এতো টাকা বেতন পায় টাকা ছাড়া তার কাছে আর কোনো কথা নাই, তোমার  ওয়াইফ যদি জানতে চায় বোলো আমি কতো বেতন পাই , আর এক মাস তুমি তোমার ওয়াইফকে টাকা বা কোনো জায়গায় গোরতে না নিয়ে যাও দেকবে ও তোমাকে ও ছেড়ে চলে যাবে। আমি পাগল আজ ভালো হয়ে গেলাম আজ থেকে ওকে ভুলে গেলাম ওকে ভালো থেকো।  
3> ভালো বাস মন থেকে ভালো বাস হৃদয় উজার করে একটা মেয়ে একটা ছেলের সব কিছু পাল্টে দিতে পারে। 

Friday, December 18, 2015

বড্ড জানতে ইচ্ছে করে

আমি ভালো বাসী গো তোমারে।

পারিনা তাই ভুলে যেতে তোমার ঐ মায়াবী হাসি টারে। 

আমি অনেক বার চেয়েছি ছেড়ে দিতে এই পৃথিবী টারে। 

তুমি কেমন আছ গো ছেড়ে আমারে। 

জানতে ইচ্ছে করে কেমন করে ভুলে গেলে তুমি আমারে। 

আমি তো ছিলাম একলা বসে নদীর দারে। 

কেনো তুমি এলে দরলে আমার হাতটারে।

ছিলাম ভালো একলা আমি ভলো বাসতাম আমি আমারে। 

গোলাপের  সপ্ন দেখালে তুমি আমার  হাতটা দরে।  

ফুল গেলো শুকিয়ে তুমি গেলে হারিয়ে আমারে রেখে একলা ঘরে। 

হাতে রেখে হাত বলেছিলে ছেড়ে যাবেনা তুমি আমায় একা করে। 

তুমি তো জানতে পাগল হয়ে যাবো আমি না পেলে তোমারে। 

যাননননরে বড্ড জানতে ইচ্ছে করে আছো  কেমন তুমি অন্নের ঘরে। 


Thursday, December 17, 2015

কষ্টের দিন গুলি সামাল দিতে মেনে চলুন এই ৫টি নিয়ম

কাঁটা বিছানো পথেই চলতে হয়। জীবনের কিছু সময় থাকে যখন আপনি চূড়ান্ত পর্যায়ের সুখের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করেন আবার এমন সময় ও আসে যখন আপনি চরম হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। জীবন তাঁর নিজস্ব নিয়মেই আপনাকে পরীক্ষা করে থাকে যেখানে আপনার পছন্দ করার কোন সুযোগই থাকেনা কিন্তু জীবন চলার পথে আপনাকে সবকিছুই মোকাবিলা করতে হয়। হতাশ হবেন না প্রতিটা মানুষকেই কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বাস্তবতাকে এড়িয়ে না গিয়ে বরং এর মুখোমুখি দাঁড়ান এবং কিভাবে মোকাবেলা করবেন তা শিখুন। জীবন সুন্দর হলেও অনিশ্চয়তায় ভরা।

১। মনের যতো কষ্ট আছে  কারো সাথে শেয়ার করুন,
আপনি যখন কোন কঠিন কষ্টের মধ্য দিয়ে যাবেন তখন আপনার কষ্টের কথা কারো সাথে শেয়ার করুন। যাকে আপনি খুব  বিশ্বাস করেন এমন কারো কাছে আপনি আপনার কষ্টের সকল কথা বলুন। এর মাধ্যমে আপনি হয়তো কোন সমাধান খুঁজে পাবেন না কিন্তু আপনি অনেক ভালো অনুভব করবেন।

২। কঠিন সময়ে ইতিবাচক থাকোন 
এই কথাটি গতানুগতিক মনে হবে কিন্তু এটা আসলেই সত্যি। কঠিন সময়ে ইতিবাচক থাকাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন ইতিবাচক থাকবেন তখন আপনি খারাপ সময়েও নিজেকে ভালো অবস্থানে রাখতে পারবেন এবং নিজে একজন ভালো মানুষ হতে পারবেন। জীবনে যখন খারাপ সময় আসবে তখন আপনি দুইটা জিনিষ একসাথে করতে পারেন। আপনি ইতিবাচক থাকবেন এবং নিজেকে মনে করিয়ে দিবেন যে, অন্ধকার সুড়ঙ্গের পরে অবশ্যই আলো থাকে।

৩। নিজেকে অনেক বেসি ব্যাস্ত রাখুন
আপনি যখন ব্যাস্ত থাকবেন তখন আপনার সমস্ত যন্ত্রণা গুলো ভুলে থাকতে পারবেন। অলস সময় কাটাবেননা, কারণ অলস সময়ে খারাপ দিক গুলোর দিকেই আপনার মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হবে যার ফলে আপনি সেই বিষয়েই চিন্তা করতে থাকবেন যা আপনাকে কোন সাহায্যই করবেনা। কিছু না কিছু কাজ করার চেষ্টা করুন।

৪। যা আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না তা হতে দিন 
আপনার প্রতিদিনের এমন কিছু বিষয়ের তালিকা করুন যা আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই। তালিকার এই বিষয় গুলো নিয়ে চিন্তা করাও বন্ধ করে দিন। ধ্যান বা প্রার্থনার সময় মনের চোখে দেখুন যে, আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরের বিষয় গুলো আপনার উচ্চ ক্ষমতার কাছে হস্তান্তর করছেন এবং এগুলো চলে যাচ্ছে। তারপর যে বিষয় গুলো আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন যেমন- আপনার শব্দ, আপনার কর্ম এবং আপনার সিদ্ধান্ত এগুলোর প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করুন।

৫। হাসি জীবনকে ভালো রাখে
 যতো পারেন মন খোলে হাসুন। আপনার পরিবারে সবার সাথে আড্ডা দিন ভালো টাইম কাটবে যতো ভালো বন্দুদের সাথে কাটবে তারচে হাজার গুন বেসি ভালো থাকবেন পরিবারের সাতে। পরিবারের সবার সাথে ভালো হাসা হাসি করা যায়। 

Tuesday, December 8, 2015

স্বপ্ন

প্রতিটি মানুষই স্বপ্ন দেখে,
,,,,,,,,,,, কারো স্বপ্ন সত্যি হয়,
আবার কারো স্বপ্ন রাতের আঁধারে
,,,,,,,,,,,,,,, হারিয়ে যায়় দূর অজানায়,।
কিন্তু যখন স্বপ্নটা
,,,,,,,,, এমনি এমনি ভেঙ্গে যায়,
,,,,,,,,,,, তখন বেশি কষ্ট না পেলেও,
যখন খুব কাছের মানুষ
,,,,,,,,,,,, স্বপ্নটা ভেঙ্গে দেয়,
তখন নিজেকে শান্তনা দেওয়ার মতো
,,,,,,,,, কোন ভাষা খুজে পাওয়া যায় না,।

নিষ্ঠুর সত্যি

হাজারটা সুখের সৃতি,
,,, কখনোই একটি কষ্ট কে
,,,,,,,,,,,, মুছে ফেলতে পারে না,।
কিন্তু একটি কষ্ট,
,, হাজারটা সুখের সৃতি কে
,,,,,,,,,,,,,,,, মুছে ফেলতে পারে,
এটিই জীবনের সবচেয়ে নিষ্ঠুর সত্যি,।

Sunday, December 6, 2015

ধরে রাখবেনা এই দু'টি হাত

কিছু পাবার আশায় নয়,
তোমাকে ভালবাসি আমার মনের চাহিদায়,
আমার আমিকে হারাতে রাজি কিন্তু তোমাকে এক বিন্দুও নয়,
কোন আলোর আশায় নয়,
বরং তোমাকে পেলে পৃথিবীর সব অন্ধকারের বুকেই
আমি গড়তে রাজি আমার ভালবাসার সুখরাজ্য,
শত অভাবের মাঝে আমি কাটাতে পারি আমার এক একটি প্রহর,
কাটাতে পারি সারাটা রাত নির্ঘুম হয়ে,
তোমার ঘুম ঘুম মায়ামাখা মিষ্টি মুখটা দেখে দেখে
আমি কাটিয়ে দিতে পারি অন্তিম জীবন-মহাকাল,
যদি তুমি বল......তবু কি তুমি থাকবেনা,
ধরে রাখবেনা এই দু'টি হাত......??

Friday, December 4, 2015

৭০টি ভাষায় “ আমি তোমাকে ভালোবাসি ”


ভালোবাসার কথা প্রকাশ করতে বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় যে বাক্য ব্যবহার করা হয়:


১.বাংলা= আমি তোমাকে ভালবাসি।
২.ইংরেজি = আই লাভ ইউ।
৩.ইতালিয়ান = তি আমো।
৪.রাশিয়ান = ইয়া তেবয়া লিউব্লিউ।
৫.কোরিয়ান = তাঙশিনুল সারাঙ হা ইয়ো।
৬.কানাডা = নান্নু নিনান্নু প্রীতিসুথিন।
৭.জার্মান = ইস লিবে দিস। 


৮.রাখাইন =অ্যাঁই সাঁইতে।
৯.ক্যাম্বোডিয়ান=বোন স্রো লানহ্উন।
১০.ফার্সি = দুস্তাত দারাম।
১১.তিউনিশিয়া = হাহে বাক।
১২.ফিলিপিনো = ইনবিগ কিটা।
১৩.লাতিন = তে আমো।
১৪.আইরিশ = তাইম ইনগ্রা লিত।
১৫.ফ্রেঞ্চ = ইয়ে তাইমে।
১৬.ডাচ = ইক হু ভ্যান ইউ।
১৭.অসমিয়া = মুই তোমাকে ভাল্ পাও।
১৮.জুলু = মেনা তান্দা উইনা।
১৯.তুর্কি = সেনি সেভিউর ম।
২০.মহেলি = মহে পেন্দা।
২১.তামিল = নান উন্নাই কাদালিকিরেন।
 ২২.সহেলি = নাকু পেন্দা। ২৩.ইরানি = মাহ্ন দুস্তাহ্ত দোহ্রাহম। ২৪.হিব্রু = আনি ওহেব ওটচে (মেয়েকে ছেলেকে), আওটচা (ছেলেকে মেয়ে)।
২৫.গুজরাটি = হুঁ তানে পেয়ার কার ছু। 
২৬.চেক = মিলুই তে।
২৭.পোলিশ = কোচাম গিয়ে। ২৮.পর্তুগিজ = ইউ আমু তে। ২৯.বসনিয়ান = ভলিম তে। ৩০.তিউনেশিয়ান = হা এহ বাদ। ৩১.হাওয়াই = আলোহা ওয়াউ লা ওই। 
৩২.আলবেনিয়া = তে দুয়া।
৩৩.লিথুনিয়ান = তাভ মায়লিউ।
৩৪.চাইনিজ = ওউ আই নি।
৩৫.তাইওয়ান = গাউয়া আই লি।
৩৬.পার্শিয়ান = তোরা ডোস্ট ডারাম।
৩৭.মালয়শিয়ান =সায়া চিনতা কামু।
৩৮.মায়ানমার = মিন কো চিত তাই।
৩৯.ভিয়েতনামিস = আনাহ ইউই এম (ছেলে মেয়েকে), এম ইউই আনাহ (মেয়ে ছেলেকে)। ৪০.থাইল্যান্ড = চান রাক খুন (ছেলে মেয়েকে), ফেম রাক খুন (মেয়ে ছেলেকে)।

৪১.গ্রিক = সাইয়াগাপো।
৪২.চেক = মিলুই তে।
৪৩.বর্মিজ = চিত পা দে। ৪৪.পোলিশ = কোচাম গিয়ে। ৪৫.মালয়ি = আকু চিন্তা কামু। ৪৬.ব্রাজিল = চিতপাদে।
৪৭.হিন্দি = ম্যায় তুমছে পেয়ার করতাহুঁ।
৪৮.জাপানি = কিমিও আইশিতের। ৪৯.পাকিস্তান = মুঝে তুমছে মহব্বত হায়।
৫০.ফার্সি = ইয়ে তাইমে। ৫১.সিংহলিজ = মামা ও বাটা আছরেই।
৫২.পাঞ্জাবী = মেয় তাতনু পেয়ার কারতা।
৫৩.আফ্রিকান = এক ইজ লফি ভির ইউ (ছেলে মেয়েকে), এক হাত যাও লিফ (মেয়ে ছেলেকে)। ৫৪.তামিল = নান উন্নাহ কাদা লিকিরেণ।
৫৫.রোমানিয়া = তে ইউবেস্ক।
৫৬.স্লোভাক = লু বিমতা।
৫৭.নরওয়ে = ইয়েগ এলস্কার দাই।
৫৮.স্প্যানিশ = তে কুইয়েবু।
৫৯.ফিলিপাইন = ইনি বিগকিটা।
৬০.বুলগেরিয়া = অবি চামতে।
৬১.আলবেনিয়া = তে দাসরোজ।
৬২.গ্রিক = সাইয়াগাফু।
৬৩.এস্তোনিয়ান = মিনা আর মাস্তান সিন্দ। ৬৪.ইরান = সাহান দুস্তাহত দোহরাম।
৬৫.লেবানিজ = বহিবাক।
৬৬.ক্যান্টনিজ = মোই ওইয়া নেয়া।
৬৭.ফিনিশ = মিন্যা রাকাস্তান সিনোয়া। ৬৮.গ্রিনল্যান্ড= এগো ফিলো সু।
৬৯.আরবি = আনা বেহিবাক (ছেলে মেয়েকে), আনা বেহিবেক (মেয়ে ছেলেকে)।
৭০.ইরিত্রয়ান = আনা ফাতওকি।

৫০তম জন্মদিনে আত্মজীবনী আনছেন সালমান


বয়সের দিক থেকে এ মাসেই হাফসেঞ্চুরি করবেন বলিউডের সুপারস্টার সালমান খান। আর এমন একটি বড় উপলক্ষ কি আর সাধারণভাবে কাটতে পারে? তাই তো হাফসেঞ্চুরিতে আত্মজীবনী বের করছেন সালমান। এর নাম রাখা হয়েছে ‘বিইং সালমান’। আগামী ২৭ ডিসেম্বর তাঁর ৫০তম জন্মদিনে এটি বাজরে আনছে ভারতের প্রকাশনা সংস্থা পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া। এটাই সালমানের জীবন নিয়ে লেখা প্রথম কোনো গ্রন্থ। এতে তাঁর ব্যক্তিজীবন ও পরিবারের জানা-অজানা কথা থাকছে। বইটি লিখেছেন দিল্লির সাংবাদিক জসিম খান। পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘কোনটা প্রকৃত সালমান? এখন যেখানে আছেন, কেনো তিনি এই পথে? সালমানের বংশ ও তাঁর ব্যক্তিগত চমকপ্রদ জানা-অজানা তথ্যাদির সংক্ষিপ্ত বিবরণ থাকবে। এর মাধ্যমে তাঁকে বোঝা সহজ হবে ভক্তদের জন্য।’ বইতে থাকবে বলিউডে ১৯৮৮ সালে তাঁর সম্পৃক্ততা, সুপারহিট ছবির নায়ক হয়ে ওঠা। বাদ যাবে না ব্যক্তিজীবন বিতর্ক। যেমন-গাড়ি চাপা দিয়ে অনিচ্ছকৃত হত্যা মামলা, কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ, একের পর এক প্রেমে জড়ানো, নতুন অভিনেত্রীদের পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করা ইত্যাদি। অন্যদিকে সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য অলাভজনক দাতব্য সংস্থা বিইং হিউম্যান ফাউন্ডেশন গড়ে তোলা, টি-শার্ট ও অন্যান্য পণ্যসামগ্রী বিক্রি করে অর্থতহবিল সংগ্রহ করে দরিদ্রসেবা সবই থাকছে বইয়ে।

খাটো পুরুষরা যৌনতায় বেশি পারদর্শী

শারীরিক উচ্চতা নিয়ে অনেকেরই শঙ্কা থাকে। অনেক পুরুষই তাদের উচ্চতা কম বলে দুঃখ করেন। কিন্তু বাস্তবে অন্যদের তুলনায় কম উচ্চতার পুরুষরা যৌনতায় পারদর্শী বলে এক গবেষণায় জানা গেছে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ডিসকভার ম্যাগাজিন। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পুরুষ উচ্চতায় কিছুটা কম তারা যৌনতা উপভোগে লম্বা পুরুষদের তুলনায় বেশি পারদর্শী। বিশেষ করে পাঁচ ফুট ৯ ইঞ্চি কিংবা তার চেয়ে কম উচ্চতার পুরুষদের ক্ষেত্রে এ বিষয়টি বেশি প্রযোজ্য বলেই গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, ‘পুরুষের যৌন কার্যক্রমের মাত্রা ও বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে উচ্চতা, ওজন, স্বাস্থ্যগত বিষয় বিবেচনা করে বিষয়টি তুলনা করা হয়েছে।’ তারা জানিয়েছেন এতে দেখা গেছে, ‘আশ্চর্যজনকভাবে পাঁচ ফুট ৯ ইঞ্চির চেয়ে কম লম্বা পুরুষরা যৌনতার দিক দিয়ে অন্যদের তুলনায় পারদর্শী। গবেষণায় ২০ থেকে ৫৪ বছর বয়সী ৫৩১ জন পুরুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আর গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ডিসকভার ম্যাগাজিনে।

Tuesday, December 1, 2015

আমি কে

জীবন আমাকে অনেক কিছু 
দিয়েছে,
কখনো কেউ ভালোবেসে আগলে 
রেখেছে,
কখনো সেই ভালোবাসা আমাকে 
নিঃশেষ করেছে,
কেওবা তার প্রয়োজনে ব্যাবহার
করেছে।
কখনো বন্ধুরা অনেক সুখ দিয়েছে,
কখনো ভালবাসার মানুষের চোখে অবহেলা দেখেছি।
কখনো কারো অসীম ভালোবাসায়
নতুন জীবন পেয়েছি।
জীবনে অনেক কিছু দেখেছি,
খুব প্রিয় মানুষের মৃত্য মুখ দেখেছি।
কারো মুখে হাসি ফুটিয়েছি।
তো কাওকে অনেক কষ্ট দিয়েছি।
দেনা পাওনার হিসেব এখন আর
মিলাই না। চাওয়া পাওয়ার হিসেব
কসতে সাহস হয়না।
সব কিছুই হয়ত পেয়েছি জীবন
থেকে,
শুধু পাইনি খুঁজে আমার মাঝে
লুকিয়ে থাকা আমি কে ?

Thursday, October 22, 2015

প্রেম করে বিয়ে অতঃপর স্বামী- স্ত্রী মধ্যে কথোপকথনঃ


স্বামী – আতা গাছে তোতা পাখি ডালিম
গাছে মৌ, আগে জানলে আনতাম না এমন
জগড়াটে বউ।
স্ত্রী – নোটন নোটন পায়রা গুলি জুটন
বেঁধেছে আমাকে বিয়ে করতে তোমায় কে
বলেছে?
স্বামী – ঐ দেখা যায় তালগাছ ঐ আমাদের
গাঁ বিয়ের আগে লক্ষী মেয়ে, কিছুই চাইতো
না।
স্ত্রী – হাড়-কিপ্টা………।
স্বামী – আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল
তুলিতে যাই বিয়ের পরে এখন শুধু করে যে
খাই খাই।
স্ত্রী – ছিপখান তিন দাঁড় তিন জন মাল্লা
কি আছে কপালে জানেন শুধু আল্লাহ।
স্বামী – ভোঁর হল দোর খুলো খুকুমনি
উঠোরে ভালো যদি না লাগে বাপের বাড়ী
ছোটরে।
স্ত্রী – আগডুম বাগডুম ঘড়াডুম সাঁজে আগে
বুঝি নাই তুমি এত বাজে।
স্বামী – আয় বৃষ্টি ঝেঁপে ধান দিবো মেপে
আর বেশি চিল্লাইলে ধরবো গলা চেপে।
স্ত্রী – আগে কি বলতে মনে আছে? পূরণ
করতে?? তোমার মনের সাধ আকাশ থেকে
আইনা দিমু চাঁদ এখন বাজার থেকে শাড়ি
আনাও বাদ। কে জানত আগে, তোমার
প্রেমে এত খাঁদ।
স্বামী – তোমার মনে নাই কি বলছ ???
সোনা চাইনা দানা চাইনা কোর্মা গুস্ত
খানা চাইনা ধন দৌলত এক আনা চাইনা শুধু
তোমাকে চাই, তোমাকে চাই
স্ত্রী – আমি কিছুই চাইনা শুধু শান্তি চাই
স্বামী – আমিও শান্তি চাই
.
হা..হা..হা…..
সবাই এ শান্তি চায়!!
তাহলে এই অবস্থা কেন

Monday, October 5, 2015

হায়রে ভাল বাসা

কানিজ খুব মিস্টি একটা মেয়ে ভাল বাসতো পাসের গ্রামের সহেল নামের এক ছেলেকে। 
caming son

Friday, September 25, 2015

I LOVE YOU 2 কঠিন প্রেম

রানা আর রুবেল। দুই বন্ধ হোস্টেল থেকে লেখা পড়া করে ওদের  এই হোস্টেলেই  পরিচয় তারা এখন খুব  ভালো বন্দু। 
ফোনে তারা অনেক মেয়ের সাতে কথা বলে পাজলামি করে এই পাজলামি করতে করতে এক দিন 
দুজনই প্রেমে পরে যায়। 
রানা রুবি  নামের একটা মেয়ের সাতে, আর রুবেল রানু  নামের একটা মেয়ের সাতে।
রানা আর রুবেল প্রতি রাতে হোস্টেলের ছাদে ফোনে কথা বলে এই ভাবে ফোনে কথা বলতে বলতে কেমন করে, ৬, ৭, মাস কেটে গেলো তারা নিজেরাও জানে। 
রানা টিক করলো রুবির  সাতে দেখা করবে। 
রানা রুবিকে  দেখা করতে বললো রুবি  ও রাজি হলো.
রানা রুবিকে  বললো  কমিল্লা দরমো সাগর পারে দেখা করতে। 
রুবি  দেখা করতে এলো রানা ও এলো কিন্তু তারা কেও কাওকে চেনেনে আম গাছের নিচে রানাকে রুবি  বসতে বললো একটা সাদা পাঞ্জাবি পরে রানা রুবেলকে ও নেয়ে এসেচে রুবেল ও রানার পাসে বসে আছে  রানাকে চিনতে পেরেছে আম গাছের নিচে রানা বসে আছে। 
কিন্তু রুবির   কি জানি কি  হলো রানার সাতে দেখা না করে চোলে গেলো রানা অনেক ক্ষণ বসে ছিলো আর রুবি  এলো না। 
রুবি  আর ফোন ও রীচিব করে না রানা মন খারাপ করে হোস্টেলে চলে গেলো রুবি  আর ফোন দরেনা। রানা চিন্তা করে কি হলো বঝলাম না। 
রুবেল রানুকে  দেখা করতে বললো কমিল্লা চিরিয়া খানায় রানু  রাজি হলো সাদা পাঞ্জবী পরে দেখা করতে বললো রানু , চিরিয়া খানায় উত্তর  কন্নারে দুল্নায় বসে থাকতে বললো রানু । 
রুবেল রানাকে ও নেয়ে গেলো রানু  এসে দেখেছে রুবেলকে কিন্তু কি যেনো হলো রানু  আর রুবেলের সাতে দেখা না করে চলে গেলো রানু  আর ফোন দরে না। 
রানা রুবেল চিন্তা করে কিরে একই রকম কেনো হলো তারা দেখা করতে বলে আর দেখা করলো না আবার ফোন ও দরে না কি হলো বোজলাম না নাকি আমরা দেকতে এতো ভালো না।  রানা রুবেলকে বলে আরে দূর এতো মেয়ে আমাদের সাতে কথা বলে প্রেম করতে চাই আমাদের দেখতে খারাপ হলে কি কেও প্রেম করতে চাই তো। 
রানা রুবেলকে বলে  আমি না রুবিকে  অনেক বেসি ভালো বেসে পেলেছি। হয় আমি ও রানু  অনেক বেসি ভালো বেসে পেলেছি। 
রানা কি আর করবো আমাদের কপালেই নাই মনে হয়, আরে  রুবেল চিন্তা করিসনা আমাদের ভালো বাসা যদি সত্যি হয় আমাদের ভালো বাসা আমাদের কাছে আসবেই। 
হোস্টেল কিছু দিনের বন্দ হলো রুবেল রানা বাড়ি চলে গেলো। 
রুবেলের বোনের  জন্ম দিন রুবেল রানাকে আসতে বললো। 
রানার মা বাবা ডাকায় গেচে বাসয় ছোট বন কি করে যাবে রুবেলের বাড়ি। 
রুবেল বললো রানা চলে আয় তুর বোনকেও নিয়ে আয়। 
রানা তার বোনকে নিয়ে রুবেলের বাড়ি গেলো রানার বন রুবেলকে দেখে কেমন জানি করে। 
রুবেলের বনের ও একই রানাকে দেখে কেমন  জানি করে। 
রানা আর রুবেল ছাদে বসে  তাদের মনের দুঃখের কথা বলতেছে।  রুবেল রানাকে বলে  চলনা অন্য নাম্বার থেকে ফোন করে দেখি দরে কি না রুবেল  হা এইটা আগে করা উচিত ছিলো টিক আছে আমি আমার বনের ফোন থেকে করব রানা   টিক আছে তাহলে  আমি ও  আমার বোনের ফোন নিয়ে আসি। 
রুবেল ছোটো বোনের কাছে গিয়ে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ছাদে চলে এলো। 
রানা ও  ছোটো বোনের কাছে গিয়ে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ছাদে চলে এলো।
রানার বোন রানার সাতে সাতে ছাদে এলো ভাইয়া আমার ফোনদে না দিলে আমি কিন্তু রাগ করবো বোন শুনা তুই যেটা বলিস আমি সেইটা করবো এখন ভাইয়া একটু ফোনটা নেই। 
রুবেলের  বোন ও  রুবেলের  সাতে সাতে ছাদে এলো ভাইয়া আমার ফোনদে না দিলে আমি কিন্তু রাগ করবো বোন শুনা তুই যেটা বলিস আমি সেইটা করবো এখন ভাইয়া একটু ফোনটা নেই।
রানা কথা বলতে বলতে কল করে দিলো আর রুবেলের হাতের  ফোনটা  বেজে উটলো। 
রুবেল বলে উটলো আরে রানা এইটা তো তুর নাম্বার, কি বলিস। 
রুবেল রানাকে বললো আমি একবার কল দিয়ে দেখি রুবেল কল দিলো  আর রানার হাতের ফোন বেজে উটলো। 
রানা রুবেলকে বলে তুর বোনের নাম কি আমার বোনের নাম তো  রুবি , আর রানা তুর বনের নাম কি আমার বোনের নাম রানু। 
রানা রুবেল চোপ কোনো কথা নাই। 
রানার বোন রানু কেদে দিলো এই দেখে রুবি ও কেদে দিলো। 
রানা আর রুবেল এক সাতে বলে উটলো,,,,,
রানা রুবিকে আর রুবেল রানুকে  I LOVE YOU
রুবি রানাকে I LOVE YOU 2
রানু রুবেলকে I LOVE YOU 2  



ভালো লাগলে সেয়ের কমেন্ট করবেন
F.I. Tuhin

Sunday, September 20, 2015

বেঁচে আছি একাকি

এই  তো সেদিন তুমি আমারি হাত দরে খালি পায়ে কতোদুর হাটলে নদির কিনারা দিয়ে,
মন দিয়ে শুন ছিলে আমার আবেগি গায়োয়া গান গুলিকে।
সন্ধা হয়ে এলো আমি বলি কি যাবেনা বাড়িতে,
মায়াবী চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললে ছলোনা হারিয়ে যায় ঐ দূর নিলিমাতে।
একা বসে আছি এখনো ওই তোমার প্রিয় ছেনা নদির গাটে,
মনে কি পরে তোমার,
কতো মিষ্টি মধুর কথায় কেটে যেতো সময়,
 আর তুমি বলতে হা দিলেতো দেরি করে মিষ্টি মিষ্টি  কথা বলে,
হেসে উটে বলতাম আমি তোমায় নিয়ে এই ভাবে হাজার জনম যাবে কেটে।
কতো স্বপ্ন দেখেছি কতো কবিতা লিখেছি কতো গান করেছি,
তুমি আজ বুঝিয়ে দিলে,
 জীবন,
 ভালো বাসার মানে বুঝে না,
তাই তো তুমি আমায় একলা করে আছো আজ বহুদুরে।
কেন যে গেলে ছলে আমায় গেলেনা বলে।
যানতে পারলাম না আজও,
কি ভুল ছিলো গো আমার ভালো বাসাতে। 
মনে কি পরে তোমার,
আমার মাথায় হাত রেখে বলতে তুমি যাবেনা তো ভুলে।
 সেই তুমি আজ আমায় গেলে ভুলে।

কেমন করে ভুলে গেলে তুমি এই আমারে,
আমি আজও পারিনি ভুলিতে তোমারে।
কেমন করে ভুলে যাই বল তোমার কতো কথা সারাটা খন আমার কানে বাজে গানের কলি হয়ে,
জান'রে আজও ভুলিনাই তোমারে।
বুকের মাঝে মাথা রেখে আদোরি গলায় বলতে তুমি এই ভাবেই সারা জীবন তোমার বুকে থাকবো আমি।
ছুতে পারি না দরতে পারি না,
 ভাবতে ভালই লাগে বুকের বেতর আজও আছ তুমি তাই তো ভুলতে পারিনি তোমায় আজও আমি।
তোমায় মনে পরে অনেক বেসি         এখনো বেচেঁ  আছি আমি একাকি।

Sunday, September 13, 2015

বড্ড ভালবাসি তোমাকে

আচ্ছা এমন করে ভালবাসা যায়না ? 
ধরেন অফিসে বসে আছেন
হুট করে পাগলিটাকে একটা ফোন দিয়ে
বললেন এই শুনছো আমার অফিসের ফাইলটা



বাসায় ফেলে এসেছি ড্রয়ারটা একটু চেক করে দেখবা?

>> তারপর আদরের বউটা তারা হুড়া করে ড্রয়ার খুলে দেখলো,
একটা নীল রঙের খাম পড়ে আছে ,
খামের ভিতর চিরকুটে লেখা।
>>"বড্ড ভালবাসি তোমাকে" ।
কিংবা হটাত একদিন অসময়ে ঘরে ফিরে এলেন
খুব তারা হুড়া করে বললেন জরুরি একটা জিনিস ফেলে গেছি l
এরপর পাগলিটার কপালে একটা চুমু খেয়ে বললেন
পেয়ে গেছি এখন যাই ....?
>>বিশ্বাস করেন সুখে পাগলীটার দম আটকে আসবে l
.
পেছন না ফিরেও বুঝতে পারবেন পাগলীটার গালে
ভালবাসার অশ্রু চিক চিক করছে l
~ ভালবাসার মানুষকে ধরে রাখতে হীরার
নেকলেস লাগেনা,
লাগে একটু যত্ন,  ''একটু আন্তরিকতা'' 





ভালো বাসা

সেদিন বাসে  করে মিরপুর  যাচ্ছি ।

বাস চলছে আমি একদম পিছে বসে আছি।

হঠাত করে দেখলাম এক বৃদ্ধ দম্পতি উঠলো ।

স্বামী তার স্ত্রীর হাত ধরে তুলে দিল ।

একটা সিট ছিল  সে না বসে মহিলাটাকে আদর করে বসাতে 

বসাতে

বলল ,"আস্তে আস্তে বস" ।

মহিলাটা মোটামুটি শক্ত সামর্থ লোকটাই বরং বয়সের ভাড়ে

অনেকটা নুব্জ ।

কিছুক্ষণ যাওয়ার পর লোকটা পিছনে একটা সিটে বসল  বসেও সে 

স্বস্তি

পাচ্ছে না ,বার বার উঠে তাকিয়ে তার বউটাকে

দেখছে ঠিকভাবে আছে কিনা , বা কোন সমস্যা হলো কিনা।

একটু পর মহিলার পাশের সিট খালি হলো লোকটার মুখে কি হাসি 

 এখন বউ এর পাশে

গিয়ে বসতে পারবে ।
 তারপর কত গুটুর গুটুর গল্প আর হাসি!!

আমি পিছনে বসে বুড়োবুড়ির ভালবাসা

দেখি আর মুচকি মুচকি হাসি।

একটা বৃদ্ধ লোক এত বছর একসাথে 

থেকেও কত আদুরে গলায় কথা বলছে !

অথচ আমরা এখনকার ছেলেরা পাগল

হয়ে প্রেম শুরু করে আর দুদিন যেতে না যেতেই"

এই মেয়ে  আর ভাল্লাগেনা , প্যারা দেয় ,

যাহ ব্রেকাপ" বলে নতুন কাউকে খুঁজি ,সেখানে

এক বুড়ো কত কত বছর একসাথে থাকার পরও

আকাশ সমান ভালবাসা নিয়ে বউকে আগলে রেখেছে ।

এ দৃশ্য হয়তো আমাদের পরের জেনারেশন কখনোই দেখবে না ।। 

 ভালো  বাসা এমন ভাবেই থাকোক  সবার জীবনে হাসি খুসি আর 

একটু মিষ্টি আড্ডায় যাকনা কেটে বাকি জীবন টায়????????

নারী তোমার বাড়ি কই

বাবার বাড়ি এই গাঁয়ে
শশুর বাড়ি ঐ♥।।
তোমার বাড়ি কই গো নারী ♦
তোমার বাড়ি কই ♦
সারাজীবন ভাত রাধিঁলি পরের হাঁড়িতে
আপন ভেবে বাস করিলি পরের বাড়িতে
যেমন পরের ঘরে বেঁধে
বাস করে চঁড়ুই ♥।।।
তোমার বাড়ি কই ♦
তোমার বাড়ি কই গো নারী ♦
শিশুকাল আর শৈশব কাটে
বাবার আশ্রয়ে।।।
যৌবন কাটে বরের সাথে
শশুরালয়ে।।।
বৃদ্ধকালে আশ্রয় নাই আর
ছেলের সাথে রই
তোমার বাড়ি কই গো নারী ||||
তোমার বাড়ি কই ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♦♦♦♦♠♠♠♠♠♠♠♠®

Wednesday, September 2, 2015

বিদায়

আজ কাদে আমার মন,
,,,,,,, কোথায় হারিয়ে গেলো
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, আমার সেই জীবন,? 
কষ্টের পর কষ্ট এসে
,,,,,,,,,,,,,,,,,,, আমায় শুধু কাদায়,।
মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয়,
,,,,,,,,, বিষাদময় জীবনটাকে
,,,,,,,,,,,,,,,,,, জানিয়ে দেই বিদায়,।